হাতিরঝিল প্রকল্পে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকবে না: গণপূর্তমন্ত্রী

76

শুধু বিজিএমইএ ভবন না হাতিরঝিল প্রকল্পের মধ্যে যত অবৈধ স্থাপনা আছে সবগুলো অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, হাতিরঝিলের অনুমোদিত নকশার বাইরে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। দৃষ্টিনন্দন হাতিরঝিলে অবৈধভাবে গড়ে তোলা বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু হয়েছে। দেশের পরিবেশ ও রাষ্ট্রের সুরক্ষার লক্ষ্যে এটি করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবৈধভাবে হাতিরঝিলে নির্মিত বহুল আলোচিত বিজিএমইএ’র ভবন ভাঙার কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়তে পারেন :  শেখ হাসিনার জন্যই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেয়েছে

জানা গেছে, ভবন ভাঙার কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুর্ঘটনা মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে ২টি টিম গঠন করা হয়েছে। যারা বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন। ভবনটি ভাঙার কাজে নিয়োজিত আছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফোর স্টার এন্টারপ্রাইজ।

বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে যে সব যন্ত্রপাতি ব্যবহার হবে তার মধ্যে রয়েছে- এক্সক্যাভেটর, বুলডোজার, কংক্রিট জ্যাকহামার, দীর্ঘ ও উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ক্রেন, ড্রাম ট্র্যাক, ফর্ক লিফট, ওয়েল্ডিং মেশিন, বিভিন্ন প্রকার কাটিং মেশিন, বিভিন্ন প্রকার হ্যান্ড টুলস এবং গ্যাস কাটার।

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের দিকে হাতিরঝিলে আড়াআড়িভাবে গড়ে ওঠা বিজিএমইএ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়। জলাশয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশবাদীরা। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। বিজিএমইএ ভবন অপসারণে আপিল বিভাগের দেয়া এক বছর সময় শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল। ২ এপ্রিল সর্বোচ্চ আদালত ভবনটি অপসারণে তৈরি পোশাক ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএকে এক বছর ১০ দিন সময় দেন।

আরও পড়তে পারেন :  বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বিমান চলাচলে চুক্তি

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএ’র বর্তমান ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যান্সারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন। এর বিরুদ্ধে বিজিএমইএ লিভ টু আপিল করে, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়।

বিনিয়োগ বার্তা/এমআর/

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here