সাত খুন মামলার বেঞ্চ নির্ধারণ

0
31

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগ বার্তা:

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা কার্যকর এবং আসামিদের আপিল শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (বিচারক ও প্রশাসন) সাব্বির ফয়েজ বুধবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চে এ মামলার শুনানির জন্য ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের পেপারবুক পাঠানো হয়েছে। বেঞ্চের কার্যতালিকায় এলে আদালত শুনানির দিন ঠিক করে দেবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ফতুল্লার লামাপাড়া থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয় এবং তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়।

ওই ঘটনায় নিহত নজরুলের স্ত্রী বিউটি ও চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল দুটি মামলা করেন।

একসঙ্গে দুই মামলার বিচার শেষে গত ১৬ জানুয়ারি আসামীদের মৃত্যুদন্ড দেন নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত সৈয়দ এনায়েত হোসেন।

ওই রায়ে সেনাবাহিনীর বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেনসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং বাকি নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্য থেকে যারা কারাগারে আছেন তারা হাই কোর্টে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন। এছাড়া নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য নথিও ডেথ রেফারেন্স আকারে হাই কোর্টে আসে।

এরপর প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেন। বিজি প্রেসে মুদ্রণ শেষে সেই পেপারবুক গত ৭ মে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছায়।

এ মামলার শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের দুটি আবেদন গত সপ্তাহে হাই কোর্টে আসে।

এ বিষয়ে শুনানি করে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বেঞ্চ পলাতক ৫ আসামির পক্ষে একসপ্তাহের মধ্যে আইনজীবী নিয়োগ করতে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর উইংকে নির্দেশ দেয়।

এই পাঁচ আসামি হলেন- অব্যাহতি পাওয়া সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, সৈনিক আলামিন শরীফ ও সৈনিক তাজুল ইসলাম এবং নূর হোসেনের দুই সহযোগী সানাউল্লাহ সানা ও শাহজাহান।

বিনিয়োগ বার্তা/ইমরান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here