সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯ হাজার পদ শূন্য

35

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা অফিস ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আট হাজার ৮৯৩টি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। মঙ্গলবার সংরক্ষিত আসনের সাংসদ খালেদা খানমের প্রশ্নের জবাবে এতথ্য জানান তিনি।

এছাড়া চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক স্তরে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।

এসময় ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার তুলে ধরেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে ৫৫ দশমিক ৩১ শতাংশ, ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ৫৫ দশমিক ২৬ শতাংশ, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে ৫৩ দশমিক ২৮ শতাংশ, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে ৪৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে ৪১ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ৪০ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে ৩৮ দশমিক ৩০ শতাংশ, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে।

আরও পড়তে পারেন :  সাত দিন পর ক্লাসে ফিরল বুয়েট শিক্ষার্থীরা

এমপিওভুক্ত প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর আবারো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। তবে এবার আগেরবারের চেয়ে বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরেই আমাদের সংসদ সদস্যরা এমপিও নিয়ে সংসদে কথা বলছেন। সরকারের গত মেয়াদে আমিও বলেছি। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে সর্বশেষ বার সরকার ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছিল। এবার আরো অনেক বেশি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে।

তিনি আরো বলেন, বাজেট প্রাপ্তি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে সেই সংখ্যা কোনোভাবেই ৩ হাজার অতিক্রম করবে না। তিন হাজারের আশেপাশে হতে পারে।

আরও পড়তে পারেন :  ভিপি নুরের ফেসবুক হ্যাক করে চাঁদাবাজি

বিনিয়োগ বার্তা//এল//

 

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here