রৌমারীতে অসহায়দের মাঝে হেলোর মানবিক সহায়তা

149
দুস্থ ও অসহায়দের জন্য হেলো’র দেয়া সহায়তা সামগ্রী

করোনা ভাইরাসের সংক্রমন রোধে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ ছুটি কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের প্রান্তিক জণগণ বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাদের সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়েছে ‘হেলদি হার্ট হ্যাপি লাইফ অর্গানাইজেশন (হেলো)। সংক্রমক ব্যাধী করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগকালে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাইটকামারী এলাকার প্রান্তিক মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে হেলো।

বুধবার উপজেলার বাইটকামারী প্রাইমারী স্কুল মাঠে ১০০ জন দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে  হেলো’র পক্ষ থেকে চাল, ডাল, লবণ, তেল, আলু, পিঁয়াজ, সেমাই, চিনি, ও দুধ সম্বলিত একটি প্যাকেজ মানবিক সহায়তা হিসেবে দেয়া হয়।

আরও পড়তে পারেন :  যমুনায় নৌকাডুবে ৩ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩০
সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে হেলো’র কর্মীরা দুস্থ ও অসহায়দের সহায়তা দিচ্ছেন

ঢাকা থেকে অনলাইনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ‘হেলো’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিশিষ্ট ক্লিনিক্যাল এবং ইন্টারভেনশনাল হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মহসীন আহমেদ।

সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো. মহিউদ্দিন মহির তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্বেচ্ছাসেবকদের সুশৃঙ্খল তৎপরতায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এসব সামগ্রী বিতরন করা হয়।

হেলো’র সহায়তা পেয়ে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের জানুয়ারির প্রথমদিকে এলাকাটির শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৭০০ জনকে শীত সামগ্রী সহায়তা করে হেলো। ওই সময় এলাকার লোকদের মাঝে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ৩ জন শিশুর জটিল হৃদরোগ সনাক্ত হয়। যা হেলো’র সম্পূর্ণ আর্থিক সহায়তায় তাদের অপারেশন সহ সার্বিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। বর্তমানে শিশুরা সুস্থ জীবন অতিবাহিত করছে।

আরও পড়তে পারেন :  ডেঙ্গু মশার আতঙ্কে বেনাপোলবাসী
হেলো’র সহায়তা নিয়ে তারা খুশিতে বাড়ি ফিরছেন

সহায়তার বিষয়ে হেলো’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক ডা. মহসীন আহমেদ বলেন, মানবতার জন্য সচেতনা, দাতব্য ও গবেষণা এ শ্লোগানে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। হেলো’র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ভিত্তিতে চলমান সঙ্কটে সমাজের অবহেলিত, অক্ষম, নিঃস্ব, দুস্থ ও সমস্যাগ্রস্থ মনুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। যদিও ক্ষুধার্ত এসব মানুষের সার্বিক চাহিদার কাছে এ সহায়তা খুবই নগণ্য। তবুও ঈদের পূর্ব মুহুর্তে এ সহায়তায় জীর্ণ বস্ত্রের শীর্ণদেহী মানুষের মুখে ফুটে উঠেছে স্বর্গীয় হাসি। এটি সম্ভব হয়েছে, সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজ সেবকদের সহায়তায়।আশা করছি, এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়তে পারেন :  ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুন, ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

বিনিয়োগ বার্তা/পি

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here