বেগম রোকেয়া দিবস, পদক পাচ্ছেন ৫ নারী

49

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুদিন আজ ৯ ডিসেম্বর। ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের শৃঙ্খল থেকে নারীকে মুক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যাওয়া এ মহীয়সী নারীকে আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে জাতি। এ উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

এবার রোকেয়া পদকের জন্য মনোনীতরা হলেন- বেগম সেলিনা খালেক নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে; অধ্যক্ষ শামসুন নাহার নারীশিক্ষায় ও ড. নুরুননাহার ফয়জননেসা (মরণোত্তর) নারীশিক্ষা, নারীর অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য; পাপড়ি বসু নারীর অধিকার ও বেগম আখতার জাহান নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য।

আরও পড়তে পারেন :  শিল্প-কারখানার পাশে জলাধার রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বেগম রোকেয়া পদক ২০১৯ প্রদানের জন্য পাঁচজন বিশিষ্ট নারী ব্যক্তিত্বকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে গতকাল রোববার বলা হয়েছে।

আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদকপ্রাপ্ত নারী বা তাদের পরিবারের হাতে পদক তুলে দেবেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দিবসটিকে ঘিরে রংপুরে নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। তার জন্মস্থান মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন :  সংসদ সদস্য ইসমত আরা সাদেক আর নেই

আজ সকাল ৯টায় পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে পায়রাবন্দ জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এছাড়া প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, রক্তদান কর্মসূচি ও রোকেয়া মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর রোকেয়া ফোরামসহ রংপুরের বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জহির উদ্দিন সাবের চৌধুরী ও রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানীর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায় হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। পরে সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘সুলতানার স্বপ্ন’, ‘মতিচূর’, ‘অবরোধ বাসিনী’, ‘পদ্মরাগ’ ইত্যাদি।

আরও পড়তে পারেন :  ২০২০ সালের মধ্যে ৬৪টি জেলায় চক্ষুসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিনিয়োগ বার্তা//এল//

 

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here