ধর্ষণের মূল হোতা নাঈম গ্রেফতার

0
20

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগ বার্তা:

সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত ঘটনা বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই তরুণী ধর্ষণ । এই ঘটনার প্রধান নাটের গুরু নাঈম আশরাফকে গতকাল মুন্সীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার পর তাকে রাজধানীর মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। ডিবির দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য যে, গতকাল বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ধর্ষক নাঈমকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খিদিরপাড়া থেকে তার এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ সদর দফতরের গোয়েন্দা শাখা।

ডিবির দায়িত্বশীল ওই কর্মকর্তা জানান, নাঈম যার বাসায় আত্মগোপন করেছিল তার নাম মাতবর। তিনি নাঈমের আত্মীয়।

এদিকে নাঈমকে গ্রেফতারের অভিযানের বিয়য়ে কিছুই জানে না বলে স্বীকার করেছেন মুন্সিগঞ্জ থানা পুলিশ।

অন্যদিকে নাঈম আশরাফের প্রকৃত নাম নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রয়েছে নানান ধরনের মতামত। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নে বলে জানা গেছে।স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে তার প্রকৃত নাম আব্দুল হালিম। নিজের নাম পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার এই মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত সোমবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর নবাবপুর ও গুলশান থেকে সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী রহমত আলী ওরফে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি টিম।

উল্লেখ্য, ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই তরুণী। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদের জন্মদিনের দাওয়াত দেয় দুই তরুণীকে।

এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

বিনিয়োগ বার্তা/পিএ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here