দেশে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ১৮৭৩, মৃত্যু ২০

35

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ১৮৭৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩২ হাজার ২৭৮। এ সময়ের মধ্যে মারা গেছেন আরো ২৪ জন। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ৪৫২।

চব্বিশ ঘণ্টায় ২৯৬ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৪৮৬ জন। করেনা রোগী শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০.২২ শতাংশ; মৃত্যুর হার ১.৪১ শতাংশ।

শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাই বুলেটিনে এ সকল তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, একদিনে মৃত্যুবরণ করা ২০ জনের ১৬ জন পুরুষ, চারজন নারী। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের চারজন, চট্টগ্রাম বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে দুজন, ময়মনসিংহ বিভাগে দুজন, রাজশাহী বিভাগে দুজন, সিলেট বিভাগে একজন এবং খুলনা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বয়স বিশ্লেষণে ২১-৩০ বছরের মধ্যে দুজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে আটজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে তিনজন এবং ৭১-৮০ বছরের মধ্যে একজন।

আরও পড়তে পারেন :  গণস্বাস্থ্যের কিটের ট্রায়াল স্থগিত

তিনি আরও জানান, তাদের মধ্যে ১৫ জন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন, চারজন বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে।

বুলেটিনে বলা হয়, চব্বিশ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৯ হাজার ৯৭৭টি; আগের দিনের নমুনাসহ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ১০ হাজার ৮৩৪টি নমুনা। চব্বিশ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ২৮৬ জনকে; ছাড় পেয়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪ হাজার ৩০৫ জন। কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৩২২ জনকে। ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৮৮ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৫ জন ১৫১ জন।

আরও পড়তে পারেন :  ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে গণপরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

এসময় যারা দেশবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। বুলেটিনে করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এপ্রিলের শুরু থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে; যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষকে ঘরে রাখতে রাজপথের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ।

আরও পড়তে পারেন :  ডেপুটি স্পিকারের স্ত্রী আনোয়ারা মারা গেছেন

বিনিয়োগ বার্তা//এল//

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here