দাম কমেনি পেঁয়াজের, সবজির দামও চড়া

48

পেঁয়াজের দাম কমার যেন কোনও লক্ষণ নেই। সরকারের কোনও পদক্ষেপই যেন কাজে আসছে না। সেই আকাশচুম্বী দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ! আর টিসিবির পেঁয়াজ কিনতে গিয়েও স্বস্তি নেই। এদিকে বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি শাক-সবজির। তবে স্থিতিশীল রয়েছে চাল, মাছ, গরুর মাংস ও মুরগির দাম।

আজ শুক্রবার রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে গত সপ্তাহের মত একই দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো ও শিম। বাজারে প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। শিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। শীতের সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা। আর মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি।

আরও পড়তে পারেন :  নওগাঁয় চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা

এদিকে গত সপ্তাহের থেকে কিছুটা বেড়ে বাজারে বরবটি, ঢেঁড়স, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। পাশাপাশি পটল ও ঝিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে একই দামে। তবে বেগুন, করলা, উস্তা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। আর একটু কম দামের তালিকায় রয়েছে মিষ্টি কুমড়া ও পেঁপে। বাজারে প্রতি কেজি মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি। আর পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি।

আজ রাজধানীর বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১৩০-১৪০ টাকা। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১২৫-১৩০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হয় কেজি ১৫০-১৬০ টাকা। আমদানি করা রসুন বিক্রি হয় ১৪০-১৫০ টাকা। কল্যাণপুর বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা মো. শফিকুল বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছেই না। পণ্যটি কিনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই।

আরও পড়তে পারেন :  সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে রতনপুর স্টিল

এদিকে গতকাল টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রিতে দেখা যায় বিশাল লাইন। আর চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ কম থাকায় টিসিবির পক্ষ থেকেও ২ কেজির জায়গায় দেওয়া হচ্ছে এক কেজি পেঁয়াজ। এছাড়া লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই পেঁয়াজ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

রাজধানীর মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে এক কেজি ৩০০ থেকে এক কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি বিক্রি হয় ৯০০-১০০০ টাকা। এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৮০০ টাকা। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৬০০-৭০০ টাকা। ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৩৫০-৪৫০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ বিক্রি হয় ১৬০ টাকা কেজি, চাষের রুই কেজি ৪০০ টাকা, পাবদা ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। টেংরা বিক্রি হয় কেজি ৬০০-৭০০ টাকা দরে।

আরও পড়তে পারেন :  স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিনিয়োগ বার্তা//এল//

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here