তেল বাণিজ্যে সুদিন আর না-ও ফিরতে পারে: ইকোনমিস্ট

78

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে লকডাউন থাকায় গত এপ্রিলে তেলের চাহিদা কমে গিয়েছিল ইতিহাসে যেকোনও সময়ের তুলনায় সবচেয়ে দ্রুত। ফলে তেল ব্যবসায়ীদের সামনে খোলা ছিল আর একটাই পথ- উৎপাদন কমিয়ে দেয়া।

মার্চ থেকে মে মাসে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই তেলের উৎপাদন কমানো হয় দিনে দুই মিলিয়ন ব্যারেল। মে-জুনে প্রতিদিন রেকর্ড ৯ দশমিক ৭ মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদন কমাতে সম্মত হয় তেল রপ্তানিকারকদের সংগঠন ওপেক ও এর মিত্র দেশগুলো। উৎপাদন কমানোর ফলে তেলের অব্যাহত দরপতন অবশেষে ঠেকানো সম্ভব হয়। এপ্রিলের মাঝামাঝি যেখানে অপরিশোধিত তেলের দাম নেমে এসেছিল ১৭ ডলারের নিচে, সেখানে জুনে এর দাম দাঁড়ায় ৪২ ডলার পর্যন্ত।

আরও পড়তে পারেন :  সৌর-বায়ুশক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ : বাংলাদেশ-চায়না কোম্পানি গঠনে চুক্তি

দাম বাড়লেও তেলের বাজার এখনও মন্দা। তেল উৎপাদন কমানোর সময়সীমা আরও একমাস বাড়িয়েছে ওপেক ও মিত্ররা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তেল সরবরাহ আগের মতো স্বাভাবিক হবে কবে?

ভবিষ্যতে তেল সরবরাহের বিনিয়োগে ধস নেমেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছে, ২০০৫ সালের পর এ বছর তেল ব্যবসায় বিনিয়োগ সর্বনিম্ন হতে পারে।

গোল্ডম্যান স্যাশ ব্যাংকের বিশ্বাস, ২০২০ সালে ওপেকের বাইরে তেলের উৎপাদন কমবে। তবে সেটি চাহিদা কমে যাওয়া বা ভৌগলিক কারণে নয়, বরং বিনিয়োগের অভাবে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান বার্নস্টেইনের মতে, নন-ওপেক দেশগুলো, যারা সারাবিশ্বে তেল চাহিদার ৬০ শতাংশ মেটাচ্ছে, তাদের উৎপাদন গত বছরের সমান হতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

আরও পড়তে পারেন :  সৌর-বায়ুশক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ : বাংলাদেশ-চায়না কোম্পানি গঠনে চুক্তি

 

বিনিয়োগ বার্তা//এল//

 

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here