তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজে যোগ দিয়েছে দেশীয় শ্রমিকরা

91

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বাধ্যতামূলক দীর্ঘ ১৫ দিন ছুটি কাটিয়ে কাজে যোগ দিয়েছে দেশীয় শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছে প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজওয়ান ইকবাল খান।

তিনি বলেন, বাঙালি শ্রমিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হচ্ছে। যাতে কেউ ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে কাজ করতে না পারে। প্রায় সাত হাজার শ্রমিকের যাচাই-বাচাইয়ের প্রক্রিয়া শেষ করতে সময়ের ব্যাপার। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যে নির্বাচিত শ্রমিকের মধ্যে বুধবার (৩ জুলাই) সকাল ছয়টায় তিনশ আট জন বাংলাদেশি শ্রমিক আগের মতো সেফটি ড্রিল প্রশিক্ষণ শেষে চায়নাদের সঙ্গে একযোগে কাজে যোগ দিয়েছে।

আরও পড়তে পারেন :  রাজধানীতে ডেসকোর দুই উপকেন্দ্র উদ্বোধন

প্রকল্প পরিচালক (প্রধান প্রকৌশলী) শাহ্ আবদুল মওলা বলেন, অন্যান্য শ্রমিকরাও খুব দ্রুত কাজে যোগ দিবেন তবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকা বাধ্যতামূলক, এ ব্যাপারে প্রশাসন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

গত ১৮ জুন পাওয়ার প্লান্টের ভেতরে বয়লার থেকে পরে বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চায়না এবং বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে চায়না শ্রমিক জাং ইয়াং ফাংয়ের (২৬) মৃত্যু হয়। এতে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয় প্রকল্প এলাকায়। লুটপাটসহ ভাঙচুর করা হয় পাওয়ার প্লান্টের অভ্যন্তরে। পরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েকদফা বৈঠকের পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ হলে গত ২১ জুন চায়না শ্রমিকরা কাজে যোগ দিলেও বাংলাদেশি শ্রমিকদের পনেরো দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়তে পারেন :  দ্বিগুণ হচ্ছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন

চায়না শ্রমিক নিহত, পাওয়ার প্লান্টের অভ্যন্তরে ভাঙচুর এবং লুটের ঘটনায় অজ্ঞাত প্রায় ছয়শ বাংলাদেশি শ্রমিককে আসামি করে এনইপিসির সেফটি ডিরেক্টর ওয়াং লিং বিং কলাপাড়া থানায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে।

এদের মধ্যে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ মামলায় অভিযুক্ত ছাড়া সব শ্রমিকরাই পর্যায়ক্রমে পুনরায় কাজে যোগ দিবেন বলে জানিয়েছেন বিসিপিসিএল কর্মকর্তারা।

 

বিনিয়োগ বার্তা//এল//

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here