ডেঙ্গু চিকিৎসায় নতুন গাইডলাইন

36

 

এখন ডেঙ্গুর মৌসুম। ঢাকা শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপও বেড়েছে। ভাইরাসজনিত এ রোগের কারণে শঙ্কা বাড়ছে মানুষের মনে। তবে ডেঙ্গু নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। বরং শুরু থেকে সচেতন থাকলে জটিলতা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। লিখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন, মেডিসিন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ

ডেঙ্গু চিকিৎসায় এরই মধ্যে নতুন গাইডলাইন তৈরি করেছে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ। ডেঙ্গুর ধরন এবং প্রাথমিক আলামতের পরিবর্তন ঘটায় চিকিৎসা গাইডলাইন বা প্রটোকলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, ডেঙ্গু রোগীকে কোনো অবস্থায়ই নতুন প্রটোকলের (যা জাতীয় গাইডলাইন ২০১৮ হিসেবে পরিচিত) বাইরে অন্য কোনো চিকিৎসা দেওয়া যাবে না। তাই সব চিকিৎসকের কাছে ব্যাখ্যাসহ নতুন এই প্রটোকল পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন গাইডলাইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—

আরও পড়তে পারেন :  লিভার সতেজ রাখার ১০ উপায়

► ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে সঠিক ব্যবস্থাপনাই প্রধান চিকিৎসা। এ ক্ষেত্রে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা অবশ্যই জাতীয় গাইডলাইন ২০১৮ অনুসরণ করে প্রদান করতে হবে।

► অনিবন্ধিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী বা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জ্বরের চিকিৎসা করানো যাবে না।

► ডেঙ্গুর মৌসুমে যেকোনো জ্বরের রোগীকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত রেজিস্টার্ড চিকিৎসক অথবা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

► ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে যাঁদের একাধিক মৃত্যুঝুঁকি বা কো-মরবিডিটি (যেমন—শিশু, প্রবীণ গর্ভবতী, ডায়াবেটিস ইত্যাদি) আছে, তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে।

আরও পড়তে পারেন :  লিভার সতেজ রাখার ১০ উপায়

► কেস, ভেক্টর ও ভাইরাস সম্পর্কিত সার্ভিলেন্স জোরদার করতে হবে।

► সমন্বিত বাহক ব্যবস্থাপনা (কমিউনিটি, প্রাতিষ্ঠানিক ও জাতীয় পর্যায়ে) আরো জোরদার করতে হবে।

► ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের চিকিৎসায় জ্বর নিয়ন্ত্রণে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা, যেমন অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যাসপিরিনজাতীয় ওষুধ, এনএসএআইডি, স্টেরয়েড, ফ্রেশ ফ্রোজেন প্লাজমা, প্লাটিলেট কনসেনট্রেট চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দেওয়া যাবে না।

বিনিযোগ বার্তা/এস

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here