জঙ্গী দমনে পশ্চিমা দেশের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ: খাদ্যমন্ত্রী

0
22

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগ বার্তা:

খাদ্যমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলাম বলেছেন, জঙ্গী দমনে পশ্চিমা দেশের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ।তিনি আরো বলেন, জঙ্গীবাদের নামে একটি মহল দেশের উন্নয়নকে থামিয়ে দিতে চায়।

গতকাল সোমবার কেরানীগঞ্জ উপজেলার নেকরোজবাগ মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কমিউনিটি পুলিশিং সেল এ সমাবেশের আয়োজন করে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যারা নতুন করে ভিশন ২০৩০ প্রস্তাব করে তারা আহাম্মকের স্বর্গে বাস করে। আমরা ইতিমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হয়েছি। ২০২১ সালে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবো। ২০৪১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে।

কামরুল ইসলাম আরো বলেন, ৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসে। সেসময় তিনি হিযবুল বাহার নামে এক প্রমোদ তরীতে মেধাবী ছাত্রদের নিয়ে প্রমোদ বিহারে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ছাত্রদের হাতে মাদক ও অস্ত্র তুলে দেন। সেখান থেকেই এদেশে মাদকের বিস্তার লাভ করে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনী আমাদের গর্ব। ৭১ হানাদার বাহিনীর বিপক্ষে তারাই প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মাদক, সন্ত্রস এবং জঙ্গীবাদ দমনে আমাদেরকে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে হবে।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপরাধ) মাহবুবুর রহমান, ঢাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বেনেজীর আহমেদ, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহে এলিদ মাইনুল আমীন এবং কেরাণীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিয়োদ্ধা সেলিম আহেমেদ।

সমাবেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্য (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে সকল অপরাধ দমন সম্ভব নয়। সাধারন অপরাধ দমনের জন্য আমাদের যথেষ্ট পুলিশ সদস্য রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ যেমন নারী নির্যাতন ও মাদক দমনে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের প্রয়োজন আছে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, অনেকেই মনে করেন জনগনের সাথে পুলিশের আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। এ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হলে দুই পক্ষকেই এগিয়ে আসতে হবে। জনগনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা এগিয়ে আসুন দেখবেন আমাদের আন্তরিকতার অভাব থাকবে না।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, কেরানীগঞ্জে প্রায় ২৫ লাখ লোকের বসবাস। কেবল দুই থেকে আড়াইশো পুলিশ দিয়ে এ এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয়। ফলে অপরাধ, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরো বলেন, মাদক নির্মূল করা গেলে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ অপরাধ কমে যাবে।

অনুষ্ঠানে কেরাণীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় সাধারণ জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

বিনিয়োগ বার্তা/মাসুদ/এমআর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here