ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চল, নিহত ১২

37

ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্যগুলো। এই ঝড়ে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি। এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে আলবামা, লুজিয়ানা, আইওয়া ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানায়, গত শনিবার থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। পরে টেক্সাস, ওকলাহোমা, লুজিয়ানা, মিসৌরি, আইওয়া ও আরাকানসাস রাজ্যেগুলোতে আঘাত হানে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়। এসব ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে ১২ জন নিহত হয়ে বলে জানিয়েছে সিবিএস নিউজ।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, লুজ়িয়ানার দ্য বশারে শুক্রবার ঝড়ে মারা গিয়েছেন এক বয়স্ক দম্পতি। ঝড়ে তাদের মোবাইল বাড়িতে ভেঙে পড়লে ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। টর্নেডোর প্রভাবে মাটি থেকে ৬১ ফুট পর্যন্ত উঠে যায় তাদের অস্থায়ী বাড়ি। আলবামায় মারা গেছে তিনজন।

আরও পড়তে পারেন :  চীনে করোনাভাইরাসে মৃত বেড়ে ১০৬

টেক্সাসের ডালাস শহরে একটি গাড়ি উল্টে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া এ রাজ্যের নাকোগডোচেস কাউন্টিতে বাড়ির ওপর গাছ পড়ে মারা গেছেন আরো এক ব্যক্তি (৪৪)। ওকলাহোমায় ডুবে মারা গিয়েছেন একজন। আইওয়ার হাইওয়েতেও অন্তত একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

মিসৌরি ও আরকানসাসে ঝড় ও বজ্রপাতে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনও হতাহতের খবর নেই। ওকলাহোমা পরিহবন দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্বের বহু রাস্তা প্লাবিত। আরকানসাসের রাস্তায় গাছ পড়ে গাড়ি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

দেশের বড় অংশ জুড়ে চলতে থাকা বৃষ্টি ও ঝড়ের আঘাতে বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। সিবিএস নিউজ জানায়, কেবল আলবামা অঙ্গরাজ্যেই বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ।

আরও পড়তে পারেন :  আরো ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাস, মৃত বেড়ে ৮০

যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে চলমান দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচলেও। শনিবার শিকাগোর দু’টি প্রধান বিমানবন্দরে ১ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ওহায়োর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাতিল হয় ৯৫০টি বিমান। আর মিডওয়ে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাতিল হয় ৬০টি ফ্লাইট।

 

বিনিয়োগ বার্তা//এল//

 

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here