খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার

45

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিতে চাওয়া জামিন আবেদনের রায় আবারও ৩ দিন পেছাল আদালত। এজন্য ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত এবং আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার এ মামলার শুনানি হবে।

আদালত তার আদেশে বলেছেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য পূর্বে যে বোর্ড গঠিত হয়েছিল, সে বোর্ডের সুপারিশ অনুসারে খালেদা জিয়া তার চিকিৎসা করাতে সম্মতি দিয়েছেন কিনা। যদি সম্মতি দিয়ে থাকেন তাহলে সুপারিশ অনুসারে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছি কিনা। সম্মতি দিয়ে থাকলে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা কী, তা জানাতে বলা হয়েছে বিএমএমইউ’র উপাচার্যকে।

আরও পড়তে পারেন :  স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা পোশাক নিশ্চিতের দাবি অলির

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন- জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন, মো. মাসুদ রানা, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ।

আর দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার পক্ষে এ জামিন আবেদন দায়ের করা হয়। জামিন আবেদনে যুক্তিতে বলা হয়, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ এবং তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তার উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না। তাই জামিন পেলে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যাবেন।

আরও পড়তে পারেন :  নেতাকর্মীদের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ২০ দলের

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি দিনের কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে ছিল।গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি হবে বলে দিন নির্ধারণ করেন।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর সাত বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই সাজা বাতিল চেয়ে গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

আরও পড়তে পারেন :  নেতাকর্মীদের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ২০ দলের

//এস//

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here