খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পুলিশের তল্লাশী

0
59

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগ বার্তা:

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে নাশকতার সরঞ্জাম খুঁজতে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে খালি হাতেই বের হয়ে আসে তারা। অভিযান শেষে গুলশান থানা থেকে দেওয়া তল্লাশি তালিকায় দেখা গেছে, সেখানে কিছুই পাওয়া যায়নি।

শনিবার অভিযান শুরুর সময় গুলশান থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, ‘খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ও নাশকতা চালানোর মতো জিনিস রয়েছে-এই মর্মে সার্চ ওয়ারেন্ট রয়েছে। সেজন্য তল্লাশি চালানো হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গুলশানের কার্যালয়ে প্রবেশ করে পুলিশ। গুলশান জোনের ডিসি মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। সকাল পৌনে ১০টার দিকে গুলশান কার্যালয় থেকে তারা চলে যায়।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয় ছেড়েছে পুলিশ। গুলশান থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছেন অভিযান শেষ। পুলিশের দেওয়ার তল্লাশি তালিকা অনুযায়ী সেখানে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, ‘পুলিশ শূন্য হাতে ফিরে গেছে। খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতেই ক্ষমতাসীন সরকার এই পুলিশি হানা দিয়েছে। এটা গণতন্ত্রের সভ্যতার চরম পরিপন্থী।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান পুলিশ প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে ম্যাডামের কার্যালয়ে পুলিশ ঢুকেছে। তবে কেন এবং কী কারণে তারা এখানে এসেছে আমরা তা জানি না।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতেই সরকার বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে দ্রুতই আমরা সংবাদ সম্মেলন করবো। তবে এই ঘটনা সম্পর্কে বলা যায় যে, এ সরকার কোনোভাবেই গণতন্ত্রকে রক্ষা করবে না। কোনও কারণ ছাড়াই খালেদা জিয়ার অফিসে পুলিশের তল্লাশি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা।

অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাঁর কার্যালয়ে পুলিশি অভিযান চালানো হয়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কিছু না জানিয়ে তালা ভেঙে পুলিশ কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে। ভেতরে অবস্থান করা কয়েকজন কর্মচারীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে বলে আমরা মনেকরি।

তিনি উল্লেখ করেন, একটি অজ্ঞাতনামা জিডির ভিত্তিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই হানা দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কিনা সেগুলো খুঁজতে তারা এসেছিল। কিন্তু তারা কিছুই পায়নি।

রিজভী আরও বলেন, ‘আমাদের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল তৌহিদ ও আমার উপস্থিতিতে পুলিশ বলে গেছে তারা কিছু পায়নি।

এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় অভিযানের বিষয়ে শিঘ্রই বিস্তারিত জানানো হবে।

বিনিয়োগ বার্তা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here