ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ২৪ শ্রমিক নিহত

64

নিউজ ডেস্ক, বিনিয়োগ বার্তা:
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পাপুয়ায় বন্দুকধারীরা অন্ততপক্ষে ২৪ নির্মাণ শ্রমিককে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। রোববারের ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তের জন্য সোমবার পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হলে এক সৈন্যকেও গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষগুলো, খবর বিবিসির।

নিহত শ্রমিকরা পাপুয়ার প্রত্যন্ত পর্বতময় অঞ্চল এনডুগাতে সড়ক ও সেতু নির্মাণের কাজ করছিল। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য পাপুয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধাদের দায়ী করেছে পুলিশ। স্বাধীনতার ডাক দেওয়া বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কয়েক দশক ধরে পাপুয়ায় তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়তে পারেন :  কাশ্মীর হামলা: কী ঘটতে যাচ্ছে পাক-ভারতের মধ্যে

সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মুহাম্মদ আইদি জানিয়েছেন, ১ ডিসেম্বর তাদের স্বাধীনতা দিবস হবে বলে মনে করে একটি ‘সশস্ত্র বেআইনি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী’, তাদের এই দিবস পালনকালে ঘটনার সূত্রপাত। জানা গেছে, নির্মাণ কোম্পানি পিটি ইস্তাকা কারিয়ার এক শ্রমিক ওই গোষ্ঠীর একটি ছবি তোলায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা করে।

নিহত শ্রমিকদের লাশগুলো যে সেতুটি তারা নির্মাণ করছিল তার কাছে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ঘটনা তদন্তে সোমবার পুলিশ ও সেনাদের একটি দল ওই এলাকায় গেলে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তাদেরও লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে, এতে এক সৈন্য নিহত ও অপর একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্নেল আইদি।

আরও পড়তে পারেন :  পাকিস্তানকে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দিলেন সৌদি যুবরাজ

নেদারল্যান্ডের উপনিবেশ পাপুয়া ১৯৬১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল, কিন্তু আট বছর পরে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে একীভূত হয়ে গিয়ে দেশটির সর্বপূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে পরিণত হয়।

এরপর থেকে কয়েক দশক ধরে সেখানে স্বল্প মাত্রার বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা চললেও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘ফ্রি পাপুয়া মুভমেন্টকে’ খণ্ডিত ও নিচুমানের অস্ত্রে সজ্জিত একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা বলে ওই এলাকায় বিদেশি সংবাদিকদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে ইন্দোনেশীয় সরকার, তাই স্বনির্ভর কোনো মাধ্যমে ওই এলাকার তথ্য পাওয়া একটি বিরল ব্যাপার।

/এস/

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here