আজ দিতে পারে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা

43

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঘোষণা দিতে পারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটির একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে বিদ্যুতের (পাইকারি ও খুচরা) দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গণশুনানিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) উল্লেখ করেছিল, এলএনজি আমদানির কারণে গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ খাতে বছরে মোট ব্যয় বাড়বে ২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া কয়লার উপর ভ্যাট আরোপ করায় কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুতের ব্যয় বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে ২০২০ সালে বর্তমান দর অনুযায়ী পাইকারি বিদ্যুৎ বিক্রি করলে ৯ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা লোকসান হবে। যে কারণে বিদ্যুতের পাইকারি দর ৫ দশমিক ৮৮ টাকা (বর্তমান দর ৪.৮৪ টাকা) করা প্রয়োজন।

প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, পাইকারি বিদ্যুতের দর ২০১৭ সালের নভেম্বর ৮ পয়সা কমিয়ে ৪.৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তখন গড় ব্যয় ছিলো ৫ টাকা ৪৪ পয়সার মতো। বিইআরসি ৬০ পয়সা হারে ভর্তুকি দেওয়ার আদেশ প্রদান করেছিল।

বিপিডিবি তার প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর গড় রেট বিবেচনা করে দেখা গেছে ডিপিডিসি ইউনিট প্রতি ৭.৬৭ টাকা, ডেসকো ৭.৮০ টাকা, বিপিডিবি ৬.৯৪ টাকা, ওজোপাডিকো ৬.৮৯ টাকা, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ৬.৩৪ টাকা ও নেসকো ৬.৬০ টাকা হারে দর আদায় করছে। এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

ডেসকো ৫.০৬ শতাংশ হারে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল। ডিপিডিসি প্রস্তাবে বলেছে ২০১৯-২০ অর্থবছরে নীট রাজস্ব প্রয়োজন ১৪৮ কোটি টাকা। অপরেশন এন্ড ব্যবস্থাপনা কস্ট ৮০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে এই টাকা সমন্বয় করা প্রয়োজন। নতুন করে সঞ্চালন ও পা্ইকারি দাম বৃদ্ধি হলে সমন্বয় করার প্রস্তাব দেয় বিতরণ কোম্পানিটি।

সবচেয়ে বড় এই বিতরণ সংস্থা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বিগত অর্থ বছরে ব্রেক-ইভেনে ছিলো। চলতি অর্থ বছরেও ব্রেক-ইভেনে থাকবে। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। তবে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি হলে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল তারা।

//এস//

আপনার মতামত দিন :

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here