অসাম্প্রদায়িক দেশ ‘বিনির্মাণের’ আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

0
51

নিজস্ব প্রতিবেদক,
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবাসীকে জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী- সমৃদ্ধ স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে এ আহবান জানান তিনি।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৭টায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, দলের নেতা ডা. দীপুমনি, ড. হাছান মাহমুদ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৮ বছরে দেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, দারিদ্র্যবিমোচন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বৈদেশিক সম্পর্ক, ব্যবসাবাণিজ্যসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ‘রোল মডেল’। ২০২১ সালের আগেই আমরা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করব, ইনশা-আল্লাহ।

ঐতিহাসিক এ দিনে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ চার জাতীয় নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহিদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে। এ ছাড়াও সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার নির্দেশ অনুযায়ী শুরু হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ। ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার পরিচালনা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here